ভারত ট্যুরিস্ট ভিসা ২০২৬
ভারত ভ্রমণ সবসময়ই বাংলাদেশিদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। প্রতিবছর লাখ লাখ বাংলাদেশি চিকিৎসা, পর্যটন, আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে দেখা, শিক্ষা এবং ধর্মীয় ভ্রমণের উদ্দেশ্যে ভারতে যান। তবে গত কয়েক বছরে বিভিন্ন কারণে ট্যুরিস্ট ভিসা কার্যক্রম সীমিত ছিল। অবশেষে সুখবর এসেছে—ভারত সরকার আবারও বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ট্যুরিস্ট ভিসা (Tourist Visa) চালু করেছে।
যারা দীর্ঘদিন ধরে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য অপেক্ষা করছিলেন, তাদের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সিদ্ধান্ত। এখন আবার নিয়মিত প্রক্রিয়ায় আবেদন করে ভারত ভ্রমণের সুযোগ পাওয়া যাবে।
এই গাইডে আমরা বিস্তারিত জানবো—
ভারত ট্যুরিস্ট ভিসা কবে থেকে চালু হয়েছে
কারা আবেদন করতে পারবেন
কোথায় আবেদন করতে হবে
অনলাইনে আবেদন করার নিয়ম
কী কী কাগজপত্র লাগবে
কত টাকা খরচ হবে
ব্যাংকে কত টাকা দেখাতে হবে
ভিসা পেতে কতদিন লাগে
ভিসা রিজেক্ট হওয়ার কারণ
সফলভাবে ভিসা পাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ টিপস
ভারতের হাইকমিশন ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২৮ জুন থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য পুনরায় ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে নিচের পাঁচটি IVAC (Indian Visa Application Centre) থেকে—
ঢাকা
চট্টগ্রাম
খুলনা
রাজশাহী
সিলেট
পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও কেন্দ্র থেকে সেবা সম্প্রসারণ করা হতে পারে।
বাংলাদেশের বৈধ পাসপোর্টধারী যেকোনো নাগরিক, যাদের ভ্রমণের উদ্দেশ্য পর্যটন, আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ, দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ বা ব্যক্তিগত সফর, তারা ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
তবে এই ভিসা ব্যবহার করে—
চাকরি করা যাবে না
ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না
দীর্ঘমেয়াদি বসবাস করা যাবে না
এটি শুধুমাত্র অস্থায়ী ভ্রমণের জন্য।
ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা থাকলে আপনি—
দিল্লি, আগ্রা, কাশ্মীর, গোয়া, দার্জিলিং, শিমলা, জয়পুরসহ বিভিন্ন পর্যটন এলাকা ভ্রমণ করতে পারবেন।
আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন।
ধর্মীয় স্থান যেমন বোধগয়া, আজমির শরীফ বা অন্যান্য দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করতে পারবেন।
ব্যক্তিগত সফর সম্পন্ন করতে পারবেন।
ভারতের ভিসার আবেদন সম্পূর্ণ দুই ধাপে হয়।
প্রথমে ভারতের অফিসিয়াল ভিসা আবেদন পোর্টালে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে।
অনলাইন আবেদন শেষ করার পর অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নির্ধারিত IVAC কেন্দ্রে সব নথি জমা দিতে হবে।
অফিসিয়াল ভারতীয় ভিসা আবেদন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।
Regular Visa Application নির্বাচন করুন।
Nationality হিসেবে Bangladesh নির্বাচন করুন।
Visa Type হিসেবে Tourist Visa নির্বাচন করুন।
আপনার নাম, জন্মতারিখ, পাসপোর্ট নম্বর, পেশা, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর এবং ইমেইল ঠিকানা সঠিকভাবে লিখুন।
ভারতে কোথায় থাকবেন, কতদিন থাকবেন এবং কেন যাচ্ছেন—এসব তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করুন।
সব তথ্য যাচাই করে আবেদন সাবমিট করুন।
আবেদনপত্র PDF আকারে ডাউনলোড করে প্রিন্ট করুন এবং স্বাক্ষর করুন। এই প্রিন্ট কপি IVAC-এ জমা দিতে হবে।
অনলাইন আবেদন সম্পন্ন হওয়ার পর একই ইমেইল ব্যবহার করে IVAC পোর্টালে নিবন্ধন করতে হবে।
এরপর—
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করবেন।
উপলব্ধ অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট নির্বাচন করবেন।
নির্ধারিত প্রসেসিং ফি পরিশোধ করবেন।
নির্ধারিত তারিখে IVAC-এ উপস্থিত হয়ে আবেদন জমা দেবেন।
সাধারণত পরবর্তী কর্মদিবসের অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট প্রতিদিন বিকেলে উন্মুক্ত করা হয়।
সাধারণভাবে নিম্নলিখিত নথিগুলো প্রয়োজন হয়—
কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ থাকা মূল পাসপোর্ট
পাসপোর্টে অন্তত ২টি খালি পৃষ্ঠা
বর্তমান ও পূর্বের সব পাসপোর্ট (যদি থাকে)
২×২ ইঞ্চি সাম্প্রতিক রঙিন ছবি
জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন
বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি বা টেলিফোন বিল (ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে)
পেশার প্রমাণ (চাকরির প্রত্যয়নপত্র, ট্রেড লাইসেন্স বা ছাত্র পরিচয়পত্র)
সাম্প্রতিক ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ
অনলাইনে পূরণ করা আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপি
আবেদনের ধরন অনুযায়ী অতিরিক্ত নথি চাওয়া হতে পারে।
ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য নির্দিষ্ট কোনো ন্যূনতম ব্যাংক ব্যালেন্স সরকারিভাবে নির্ধারণ করা নেই। তবে আবেদনকারীকে এমন আর্থিক সক্ষমতা দেখাতে হবে যাতে বোঝা যায় তিনি নিজের ভ্রমণ, থাকা-খাওয়া এবং অন্যান্য খরচ বহন করতে পারবেন। সাধারণত গত ৩ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা অন্যান্য আর্থিক প্রমাণপত্র জমা দিতে বলা হয়।
ভালো আবেদন তৈরির জন্য কিছু পরামর্শ:
নিয়মিত লেনদেন থাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করুন।
শেষ মুহূর্তে বড় অঙ্কের টাকা জমা দেওয়া এড়িয়ে চলুন।
সেভিংস বা চলতি হিসাবের স্টেটমেন্ট পরিষ্কার ও হালনাগাদ রাখুন।
প্রয়োজনে ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট যুক্ত করতে পারেন।
সাধারণত গত ৩ মাসের আপডেটেড ব্যাংক স্টেটমেন্ট গ্রহণযোগ্য। কিছু ক্ষেত্রে দূতাবাস অতিরিক্ত নথি চাইতে পারে।
বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারত সরকারের ট্যুরিস্ট ভিসা ফি নেই (Gratis)। তবে আবেদন প্রক্রিয়াকরণের জন্য IVAC সার্ভিস/প্রসেসিং ফি দিতে হয়। বর্তমান ফি সম্পর্কে আবেদন করার আগে IVAC-এর অফিসিয়াল নোটিশ দেখে নেওয়া উচিত, কারণ সময়ে সময়ে এটি পরিবর্তিত হতে পারে।
আপনার সম্ভাব্য খরচ হতে পারে—
IVAC প্রসেসিং ফি
পাসপোর্ট ছবি
প্রিন্টিং ও ফটোকপি
যাতায়াত খরচ
প্রয়োজনে কুরিয়ার বা SMS সার্ভিস
ভারতের অফিসিয়াল নির্দেশনা অনুযায়ী, সাধারণ ক্ষেত্রে আবেদন জমা দেওয়ার পর কমপক্ষে ৩ কর্মদিবস সময় লাগতে পারে। তবে অতিরিক্ত যাচাই, সরকারি ছুটি বা বিশেষ পরিস্থিতিতে আরও বেশি সময় লাগতে পারে। তাই ভ্রমণের অন্তত ২–৩ সপ্তাহ আগে আবেদন করা নিরাপদ।
অনেক আবেদনকারী ছোটখাটো ভুলের কারণে ভিসা পান না। নিচে সবচেয়ে সাধারণ কারণগুলো দেওয়া হলো—
আবেদনপত্রে ভুল তথ্য।
পাসপোর্টের মেয়াদ ৬ মাসের কম।
অসম্পূর্ণ কাগজপত্র।
ব্যাংক স্টেটমেন্টে অসামঞ্জস্য।
আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ দুর্বল।
ভ্রমণের উদ্দেশ্য পরিষ্কার নয়।
ভুয়া কাগজপত্র জমা দেওয়া।
ছবি নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী না হওয়া।
পূর্বের ভিসা নিয়ম ভঙ্গের ইতিহাস।
পাসপোর্টে নাম ও অন্যান্য নথির তথ্য না মিললে।
আবেদনপত্রে সব তথ্য পাসপোর্ট অনুযায়ী লিখুন।
সত্য তথ্য ছাড়া কিছুই লিখবেন না।
পরিষ্কার ও হালনাগাদ ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিন।
প্রয়োজনে ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট যুক্ত করুন।
চাকরিজীবী হলে NOC জমা দিন।
ব্যবসায়ী হলে ট্রেড লাইসেন্স সংযুক্ত করুন।
শিক্ষার্থী হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র দিন।
হোটেল বুকিং থাকলে যুক্ত করুন।
ভ্রমণের সম্ভাব্য পরিকল্পনা (Travel Itinerary) দিন।
সব নথির ফটোকপি রাখুন।
নির্ধারিত সময়ে IVAC-এ উপস্থিত হন।
ফর্মে বানান বা তারিখের ভুল এড়িয়ে চলুন।
অপ্রয়োজনীয় বা বিভ্রান্তিকর তথ্য দেবেন না।
সব নথি পরিষ্কার ও পাঠযোগ্য রাখুন।
আবেদন জমা দেওয়ার আগে সব তথ্য আবার যাচাই করুন।
✔ বৈধ পাসপোর্ট
✔ অনলাইন আবেদনপত্র
✔ পাসপোর্ট সাইজ ছবি
✔ জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি
✔ ৩ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট
✔ পেশাগত প্রমাণপত্র
✔ IVAC অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিশ্চিতকরণ
✔ প্রয়োজনীয় ফটোকপি
বর্তমানে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারতের ই-ভিসা (e-Visa) প্রযোজ্য নয়। তাই ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য নিয়মিত অনলাইন আবেদন সম্পন্ন করে IVAC-এর মাধ্যমে কাগজপত্র জমা দিতে হবে। শুধুমাত্র অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং অনুমোদিত IVAC ব্যবহার করুন।
ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসার মেয়াদ (Validity) আবেদনকারীর প্রোফাইল, ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং ভিসা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে। তাই সব আবেদনকারী একই মেয়াদের ভিসা পান না। ভিসা স্টিকারে উল্লেখিত Validity, Number of Entries এবং Duration of Stay ভালোভাবে পড়ে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই ভিসায় সাধারণত একবার ভারতে প্রবেশ করা যায়। ভারত থেকে বেরিয়ে গেলে একই ভিসা ব্যবহার করে আবার প্রবেশ করা যায় না।
এই ধরনের ভিসায় ভিসার শর্ত অনুযায়ী একাধিকবার ভারতে প্রবেশ ও বের হওয়ার সুযোগ থাকতে পারে। তবে এটি সম্পূর্ণভাবে ভিসা স্টিকারে উল্লেখিত শর্তের ওপর নির্ভর করে।
ভিসায় অনুমোদিত Entry Point অনুযায়ী আপনি বিভিন্ন পথে ভারতে প্রবেশ করতে পারবেন।
ঢাকা → দিল্লি
ঢাকা → কলকাতা
ঢাকা → মুম্বাই
ঢাকা → চেন্নাই
ঢাকা → বেঙ্গালুরু
মৈত্রী এক্সপ্রেস
বন্ধন এক্সপ্রেস
মিতালী এক্সপ্রেস (চলমান সেবার ওপর নির্ভরশীল)
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের অনুমোদিত স্থলবন্দর দিয়ে প্রবেশ করা যায়। কোন বন্দর দিয়ে প্রবেশ করা যাবে, তা আপনার ভিসায় উল্লেখ থাকতে পারে। ভ্রমণের আগে সর্বশেষ নিয়ম যাচাই করে নিন।
ভারতে পৌঁছানোর পর ইমিগ্রেশন কাউন্টারে সাধারণত নিচের বিষয়গুলো যাচাই করা হতে পারে—
বৈধ পাসপোর্ট
বৈধ ভিসা
ভ্রমণের উদ্দেশ্য
কোথায় থাকবেন
রিটার্ন টিকিট (প্রয়োজন হলে)
আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ (বিশেষ ক্ষেত্রে)
সব প্রশ্নের উত্তর শান্তভাবে এবং সত্য তথ্যের ভিত্তিতে দিন।
ভ্রমণের সময় নিচের কাগজপত্র আলাদা ফাইলে রাখুন—
মূল পাসপোর্ট
ভিসার কপি
পাসপোর্টের ফটোকপি
জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি
হোটেল বুকিং (যদি থাকে)
রিটার্ন টিকিট
জরুরি ফোন নম্বর
কিছু ভারতীয় রুপি বা আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবহারযোগ্য পেমেন্ট ব্যবস্থা
ভারতে প্রবেশের সময় আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ বা সীমাবদ্ধ পণ্য বহন করবেন না। যেমন—
মাদকদ্রব্য
অবৈধ অস্ত্র বা গোলাবারুদ
জাল নথি
নিষিদ্ধ বন্যপ্রাণীর অংশ বা পণ্য
শুল্ক আইন লঙ্ঘন করে অতিরিক্ত পরিমাণে মূল্যবান পণ্য
কাস্টমস কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে আপনার লাগেজ পরীক্ষা করতে পারে।
ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ভারত ত্যাগ করুন।
ভিসার অনুমোদিত উদ্দেশ্যের বাইরে কোনো কাজ করবেন না।
সবসময় পাসপোর্ট ও ভিসার কপি নিরাপদে সংরক্ষণ করুন।
স্থানীয় আইন ও বিধিনিষেধ মেনে চলুন।
কোনো সমস্যা হলে নিকটস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন বা কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ভারতে অবস্থান করলে তা ইমিগ্রেশন আইন লঙ্ঘনের মধ্যে পড়তে পারে। এর ফলে জরিমানা, ভবিষ্যতে ভিসা পাওয়ার জটিলতা বা অন্যান্য আইনি পদক্ষেপের মুখোমুখি হতে পারেন। তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই দেশ ত্যাগ করা উচিত।
ভারত বাংলাদেশিদের জন্য ট্যুরিস্ট ভিসা পুনরায় চালু করার পাশাপাশি ১ জুলাই ২০২৬ থেকে IVAC-এ স্বয়ংক্রিয় (Automatic) অ্যাপয়েন্টমেন্ট টাইম-স্লট ব্যবস্থা চালু করেছে। এখন আবেদনকারীদের নিজে থেকে সময় নির্বাচন করতে হবে না; সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারিত সময় বরাদ্দ করবে।
✔ পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে ৬ মাস আছে কি না
✔ ভিসার তথ্য সঠিক আছে কি না
✔ পাসপোর্টে নামের বানান মিলছে কি না
✔ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কপি সঙ্গে আছে কি না
✔ ভ্রমণের তারিখ ও টিকিট মিলিয়ে দেখেছেন কি না
✔ থাকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছেন কি না
দালালের ওপর নির্ভর না করে নিজেই আবেদন করার চেষ্টা করুন। অফিসিয়াল নির্দেশনা অনুসরণ করলে অধিকাংশ আবেদনকারী সহজেই সঠিকভাবে আবেদন সম্পন্ন করতে পারেন। আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম ও নোটিশ অবশ্যই যাচাই করুন, কারণ ভিসা নীতিমালা সময়ে সময়ে পরিবর্তিত হতে পারে।
ভারতে ভ্রমণের মোট খরচ নির্ভর করবে আপনি কোথায় যাবেন, কতদিন থাকবেন এবং কী ধরনের হোটেল ও যাতায়াত বেছে নেবেন তার ওপর।
পরামর্শ: ভ্রমণের আগে একটি লিখিত বাজেট তৈরি করুন এবং জরুরি প্রয়োজনে অতিরিক্ত অর্থ সংরক্ষণ করুন।
ভ্রমণের অন্তত এক সপ্তাহ আগে নিচের বিষয়গুলো নিশ্চিত করুন—